স্পর্শ করে বুঝলাম বেশ গভীর নাভি

 সেদিন ছিলো দুর্গাপুজোর অষ্টমী। এককালে জমিদার বাড়ি ছিলো, এখন জৌলুস কিছুটা কমলেও বেশ ঘটা করেই বাড়িতে পুজো হয়। সব আত্মীয় স্বজন রা আসেন। নির্জন বাড়িটা কিছুদিনের জন্য গমগম করে ওঠে। অধিকাংশ ঘর গুলোই সারা বছর তালা দেওয়া থাকে, এই ক দিন আত্মীয় পরিজন দের থাকার জন্য খুলে দেওয়া হয় l



আর কিছুক্ষন পরেই সন্ধি পুজো শুরু হবে l আমার ঘরটা দো তোলার একদম কোনের দিকে, পুরোনো দিনের করিবরগা দেওয়া ছাদ, সেখানে ঝুলছে ততোধিক পুরোনো একটা পাখা, সমানে যান্ত্রিক শব্দ করে যাচ্ছে- পূর্ব দিকে বড় কাঠের জানলা, লাল মেঝে আর পেল্লায় এক সেগুন কাঠের পালঙ্ক। রাত এখন প্রায় ১২ টা। আমি একটা নীল পাঞ্জাবি আর সাদা পাজামা পরে সন্ধি পুজোর জন্য তৈরী হলাম l পুরো বাড়িটা হলুদ চেন লাইট দিয়ে সাজানো হয়েছে। আমার ঘরে কোনো আলো জ্বলছিলো না, জানলা দিয়ে নরম আলো এসে ঘর রা মোহময়ী করে তুলেছে l হঠাৎ দরজায় কড়া নাড়ার শব্দ l খুলে দেখি আমার মামাতো বোন তিতলি। তিতলি এই বছর উচ্চ মাধ্যমিক পাশ করে ইংরেজি বিষয়ে কলেজে ভর্তি হয়েছে l


– কিরে দাদা, আর কত সাজবি? ঐদিকে তো পুজো শুরু হয়ে যাবে, পিসিমনি তোকে ডেকে আনতে বললো।


তিতলির দিকে তাকিয়ে দেখলাম, লাল পাড় সাদা শাড়ী, সাথে লাল ফুল স্লিভ ব্লাউজ – অল্প বক্ষ বিভাজিকা দৃশ্যমান , গলায় সোনার হার, কপালে লাল টিপ, মাথায় বেল ফুলের সজ্জা , কালো বড় বড় চোখে কাজল l গা থেকে অদ্ভুত সুন্দর একটা সিন্গ্ধ গন্ধ ভেসে আসছে l আমার সেই ছোট বোনটা হঠাৎ যেনো যুবতী হয়ে উঠেছে, তার রূপের থেকে চোখ ফেরানো যাচ্ছে না l


আমি বললাম – আয় ভেতরে এসে বোস, আমি বাথরুম করে যাচ্ছি l তিতলি ঘরে এসে পালঙ্কের একটা কোনে হেলান দিয়ে দাঁড়ালো l আমার ঘরের সাথেই লাগোয়া বাথরুম l বাথরুমে গিয়ে

বুঝলাম আমার লিঙ্গ বেশ উত্তেজিত হয়ে শক্ত হয়ে গেছে l তিতলির সেই রূপ আমি ভুলতে পারছি না, মানুষ এতটাও সুন্দরী হতে পারে l কাম বাসনা আমায় আচ্ছন্ন করে ফেললো, মন কেমন একটা অস্থির হয়ে উঠলো – ভাই বোনের প্রবিত্র সম্পর্কও ভুলে গেলাম কিছু ক্ষণের জন্য – যে করেই হোক এই শরীর আমাকে পেতে হবে l


আমি ঘরে ঢুকতেই তিতলি বললো – চল তাহলে!

আমি বললাম – দাঁড়া না একটু, পুজোর লগ্ন তো এখন দেরী আছে এক ঘন্টা। আমি ওয়ার্ডরব টা খুলে একটা অর্ধেক ভর্তি হুইস্কির বোতল বের করলাম l


– দাদা তুই এখন হোইস্কী খেতে বসবি নাকি? আমি যাই তাহলে l

আমি বললাম – কেনো তুই খাস না যেনো? ইনস্টা তে তোর মদ খাবার ছবি দেখেছি

– খাই কিন্তু তাবলে পুজো বাড়িতে খাবি? এটা কিন্তু বাড়াবাড়ি করছিস

আমি কিছু না বলে গ্লাস এ এক পেগ ঢেলে চুমুক দিলাম l


জানলা দিয়ে আসা নরম নিয়ন আলো তার ওপর হালকা মদের নেশায় তিললি কে যেনো স্বর্গের অপ্সরা লাগছে l আমি এক চুমুকে বাকিটা শেষ করে তিতলির কাছে এসে দাঁড়ালাম l

– তোকে খুব সুন্দরী লাগছে রে তিতলি

– ধন্যবাদ, তোর মদ খাওয়া হয়ে গেলে এবার আমরা যেতে পারি নীচে l ওদিকে…

– তিতলি আরও কিছু বলতে যাচ্ছিলো, আমি আমার ডান হাতের তর্জনী দিয়ে তিতলির ঠোঁটে হাত দিয় চুপ করিয়ে দিলাম, তারপর আঙ্গুল দিয়ে নরম ঠোঁটে আঁচড় দিতে লাগলাম l

– তিতলি এবার গম্ভীর ভাবে বললো – এটা কী করছিস দাদা!

আমি এক ঝটকায় তিতলি কে কাছে টেনে নিয়ে পেছন থেকে জড়িয়ে ধরলাম l তিতলি গায়ের জোর লাগিয়ে আমাকে ছাড়াতে চাইলো কিন্তু ব্যর্থ হলো l

-তোর মাথা খারাপ হয়ে গেছে দাদা, আমায় যেতে দে বলছি

আমি আরো কষে জড়িয়ে ধরলাম, তিতলির মাথার চুলের সুগন্ধে আমার দেহ মন সব উত্তেজিত হয়ে হয়ে উঠেছে, ঘাড় থেকে চুল সরিয়ে সেখানে আলতো একটা চুম্বন দিলাম l

নীচে বোধ হয় পুজো শুরু হলো – ঢাকের শব্দ ভেসে আসছে l

তিতলি আর একবার চেষ্টা করলো ছাড়ানোর – আমায় যেতে দে দাদা, না হলে কিন্তু চিৎকার করবো l

আমি বললাম – সবাই এখন নীচে পুজোতে ব্যস্ত, ঢাকের আওয়াজে তোর চিৎকার কেউ শুনতেই পাবে না l

আমি আঁচলের ফাঁক দিয়ে তিতলির পেটে হাত রাখলাম l তিতলি একটা দীর্ঘশ্বাস ফেললো l


আমি অনবরত তিতলির ঘাড়ে আর কানের পেছনে চুমু খেতে লাগলাম, কখনো জিভ দিয়ে চেটে দিলাম, আর আমার ডান হাত দিয়ে নরম পেটের অনুভূতি নিতে থাকলাম l তিতলির শ্বাস প্রশ্বাস আরও ঘন হতে শুরু করেছে, সেও বোধ এবার আনন্দ পেতে শুরু করেছে l তাও বার বার বলে যাচ্ছে আমায় ছেড়ে দে দাদা, এটা ঠিক হচ্ছে না l


তিতলি শাড়ী টা নাভির ওপরে পরেছিলো, তাই নাভির স্পর্শ পেতে একটু ভেতরে হাত ঢোকালাম, একটু বেগ পেতে হলো কারন সায়া শক্ত করে বাঁধা l স্পর্শ করে বুঝলাম বেশ গভীর নাভি l তিতলির মুখ টা আমার দিকে একটু ঘুরিয়ে গালে একটা চুমু খেলাম, তারপর কপালে, তারপর ঠোঁটে – তিতলি চোখ বন্ধ করে ফেলেছে l লিপস্টিকের একটা মিষ্টি গন্ধ আর সিনথেটিক স্বাদ l আমি আমার জিভ টা তিতলির মুখের মধ্যে ভোরে দিলাম, ওর জিভ আর আমার জিভ মিলিত হলো, চেটে পুটে সেই রস আস্বাদন করলাম l আমার ডান হাত এখনো তার নাভিতে আঁকি বুকি কাটছে, বাঁ হাত টা ওর বাম স্তনের ওপর রাখলাম l


তিতলি এতক্ষনে আমায় সমর্পন করে দিয়েছে, আর কোনো রকম বাধা দিচ্ছে না l আঁচল টা ফেলে দিলাম, আর দুই হাতে ব্লাউজের ওপর দিয়ে তিতলির স্তন যুগলকে চটকাতে লাগলাম। তিতলি এবার আমার দিকে ঘুরে দাঁড়ালো, লজ্জায় এবং যৌন উত্তেজনায় তার মুখটা লাল হয়ে গেছে l এবার সে নিজে থেকেই আমায় চুমু খেতে চাইলো l আমি চুমু খেতে খেতে তার ব্লাউজের হুক গুলো খুলে দিতে থাকলাম l ভেতরে কালো ব্রা, স্তন দুই খানি যেনো ঠিকরে বেরিয়ে আসতে চাইছে l ব্লাউজ টা সম্পূর্ণ খুলে দিলাম, তিতলির ওপরের অঙ্গে শুধু ব্রা আর সোনার অলংকার, নিম্ন অঙ্গে এখনো শাড়ী আছে l তিতলি বললো দাদা আমায় একটা হুইস্কী বানিয়ে দে তো l বোধ হয় সাহস সঞ্চয় করতে চাইছিলো l আমি বানিয়ে দিলাম, নিজের জন্যও একটা বানালাম l


হুইস্কীর পাত্র থেকে দু ফোঁটা তিতলির বুকের ভাঁজে ফেললাম তারপর জিভ দিয়ে চেটে নিলাম l ওকে কাছে টেনে নিয়ে এক ঝটকায় ব্রা এর হুক খুলে দিলাম l তিতলির স্তন দুই খানি আমার সামনে উন্মুক্ত, নিজের চোখ কে বিশ্বাস করতে পারছিলাম না, কী অপরূপ সেই সৌন্দর্য- কোনো পার্থিব বস্তু নেই যার সাথে সেই সৌন্দর্য কে তুলনো করা যায়। আমি একটি বোঁটা মুখে নিয়ে চুষতে লাগলাম l নিজের পাঞ্জাবি টা খুলে নিলাম আর তিতলি কে বিছানায় শুইয়ে দিলাম…



তিতলিকে পালঙ্কের ওপর শুইয়ে দিয়ে আমি তার ওপর ঝুঁকে পড়লাম। তার দুই স্তন যেন দুটো পাকা আমের মতো সামনে দুলছে। গোলাকার, শক্ত, গাঢ় গোলাপি বোঁটা দুটো আমার চোখের সামনে। আমি একটা বোঁটা মুখে পুরে জোরে চুষতে লাগলাম, জিভ দিয়ে ঘুরিয়ে ঘুরিয়ে চাটছি। অন্য হাত দিয়ে আরেকটা স্তন চটকাচ্ছি, আঙুলে বোঁটা টিপে ধরে টানছি। তিতলি নিচু স্বরে কেঁপে উঠলো, “উফফ দাদা… আহহহ…”


তার শাড়ির আঁচল একদম খুলে পড়ে আছে। আমি তার কোমরের কাছে হাত দিয়ে সায়ার গিঁটটা খুলে ফেললাম। শাড়ি আর পেটিকোট এক টানে নামিয়ে দিলাম। তিতলি এখন শুধু একটা কালো লেসের প্যান্টি পরে আছে। প্যান্টির ভেতরটা ইতিমধ্যে ভিজে গেছে, কাপড়ের ওপর দিয়ে সেই ভেজা দাগটা স্পষ্ট দেখা যাচ্ছে।


আমি তার পা দুটো ফাঁক করে তার মাঝখানে বসে পড়লাম। তার উরুর ভেতরের নরম, গরম চামড়ায় চুমু খেতে খেতে উপরের দিকে উঠতে লাগলাম। তিতলির শ্বাস আরও জোরে হয়ে গেল। আমি প্যান্টির ওপর দিয়ে তার ভোদার ওপর চুমু খেলাম, জিভ দিয়ে চেপে চেপে চাটতে লাগলাম।

“দাদা… না… ওখানে না… আহহহ…” তিতলি লজ্জায় মাথা ঘুরিয়ে নিলেও তার কোমরটা অজান্তেই উঁচু হয়ে উঠছিলো।


আমি প্যান্টিটা দুই পায়ের মাঝ দিয়ে টেনে নামিয়ে দিলাম। তিতলির ভোদা একদম নিখুঁত – ফর্সা, গোলাপি, ছোট ছোট কালো চুলে ঢাকা। ভেতর থেকে রস গড়িয়ে পড়ছে। আমি আর সহ্য করতে পারলাম না। জিভটা বের করে তার ভোদার ফাঁক দিয়ে লম্বা করে চেটে দিলাম। তারপর ক্লিটোরিসটা মুখে নিয়ে জোরে চুষতে শুরু করলাম।

তিতলি দুই হাতে আমার চুল খামচে ধরলো, “উফফফ দাদা… কী করছো… আহহহ… আমার ভোদা চুষছো… উঁহহহ…” তার শরীর কেঁপে কেঁপে উঠছিল। আমি এক আঙুল তার ভোদার ভেতর ঢুকিয়ে দিলাম। খুব টাইট আর গরম। আঙুল ঢুকিয়ে ঘুরিয়ে ঘুরিয়ে চুষতে লাগলাম। দ্বিতীয় আঙুলও ঢুকিয়ে দ্রুত নড়াতে শুরু করলাম। তিতলির রস আমার মুখে আর হাতে মাখামাখি হয়ে গেল।


কিছুক্ষণ পর তিতলির শরীর শক্ত হয়ে গেল। সে জোরে কেঁপে উঠলো, “দাদা… আমি যাচ্ছি… আআআহহহহ…” তার ভোদা থেকে ঝর্ণার মতো রস বেরিয়ে আমার মুখ ভিজিয়ে দিলো। প্রথম অর্গাজম।


আমি উঠে দাঁড়িয়ে আমার পাজামা আর আন্ডারওয়্যার খুলে ফেললাম। আমার লিঙ্গ পুরোপুরি শক্ত হয়ে লম্বা হয়ে আছে, মাথাটা লাল হয়ে গেছে, শিরা ফুলে আছে। তিতলি চোখ বড় বড় করে তাকিয়ে রইলো।

“দাদা… এত বড়… আমার ভেতরে ঢুকবে?”


আমি হেসে তার দুই পা কাঁধের ওপর তুলে তার ভোদার মুখে লিঙ্গের মাথাটা ঘষতে লাগলাম। তারপর এক ঠাপে অর্ধেকটা ঢুকিয়ে দিলাম।

“আআআহহহ… দাদা… ফেটে যাবে… ধীরে…” তিতলি চোখ বন্ধ করে কাতরাতে লাগলো।


আমি ধীরে ধীরে পুরোটা ঢুকিয়ে দিলাম। তার ভোদা আমার লিঙ্গকে খুব শক্ত করে চেপে ধরেছে। গরম, ভেজা, আঁটসাঁট। আমি ধীরে ধীরে ঠাপাতে শুরু করলাম। প্রত্যেক ঠাপে তার স্তন দুলছে। আমি ঝুঁকে তার বোঁটা চুষতে চুষতে জোরে জোরে ঠাপাতে লাগলাম।


“চোদ দাদা… জোরে চোদ আমার ভোদা… উফফ… তোর লিঙ্গটা খুব বড়… আমার ভোদা ফেটে যাচ্ছে…” তিতলি এখন পুরোপুরি নোংরা ভাষায় কথা বলতে শুরু করেছে।

আমি তার পা নামিয়ে তাকে কুকুরের মতো করে বসালাম। পেছন থেকে তার কোমর ধরে এক ঝটকায় পুরো লিঙ্গ ঢুকিয়ে দিলাম। এবার খুব জোরে জোরে ঠাপাতে লাগলাম। তার নিতম্বে চড় মারছি, চুল ধরে টানছি।


“তোর ভোদা তো খুব খারাপ রে তিতলি… এত রস পড়ছে… চুদতে চুদতে তোকে বাঁজা করে দিবো আজকে…”

আমি তার পাছার ফাঁকে আঙুল ঢুকিয়ে খেলতে লাগলাম। তিতলি পাগলের মতো কাঁপছে। আমি আবার তাকে চিত করে শুইয়ে তার দুই পা মাথার কাছে তুলে মিশনারি স্টাইলে ঠাপাতে লাগলাম। খুব গভীরে ঢুকছে প্রত্যেকবার।

অনেকক্ষণ চোদাচুদির পর আমি বললাম, “তিতলি আমি বের করবো…”


সে আমার কোমর জড়িয়ে ধরলো, “ভেতরে দে দাদা… আমার ভোদার ভেতরে তোর বীর্য ঢেলে দে… আমি তোর বউ হয়ে যাবো আজ থেকে…”

আমি আর সহ্য করতে পারলাম না। গভীরে ঢুকিয়ে জোরে জোরে কয়েকটা ঠাপ দিয়ে তার ভোদার ভেতরে অনেকটা বীর্য ঢেলে দিলাম। গরম বীর্য তার ভোদা ভরিয়ে দিলো।

দুজনেই হাঁপাতে হাঁপাতে একে অপরের বুকে শুয়ে রইলাম। বাইরে ঢাকের শব্দ আর আতশবাজির আওয়াজ আসছে। পুজো চলছে। কিন্তু আমাদের পুজো এই ঘরের ভেতরই শেষ হয়নি।


কিছুক্ষণ দুজনে চুপচাপ শুয়ে রইলাম। আমার লিঙ্গ এখনও তিতলির ভোদার ভেতরে আধা-শক্ত অবস্থায় আটকে আছে। তার ভোদা থেকে আমার বীর্য আর তার রস মিশে গড়িয়ে পড়ছে বিছানার চাদরে। তিতলি আমার বুকে মাথা রেখে হাঁপাচ্ছে। তার শরীর এখনও থরথর করে কাঁপছে।

আমি তার কপালে চুমু খেয়ে ফিসফিস করে বললাম, “কেমন লাগলো রে আমার ছোট ভোদা? দাদার লিঙ্গ চুদে?”


তিতলি লজ্জায় মুখ লুকিয়ে আমার বুকে কামড় দিয়ে বললো, “খুব ভালো লেগেছে দাদা… কিন্তু তুমি তো আমাকে পাগল করে দিয়েছো। এখনও আমার ভোদার ভেতরটা গরম হয়ে আছে… তোমার বীর্য বেরোচ্ছে।”

আমি হেসে তার নিচের ঠোঁট কামড়ে ধরলাম। তারপর ধীরে ধীরে লিঙ্গটা বের করে আনলাম। সাথে সাথে তার ভোদা থেকে সাদা সাদা বীর্যের ধারা গড়িয়ে পড়লো। দৃশ্যটা দেখে আমার লিঙ্গ আবার শক্ত হয়ে উঠতে শুরু করলো।

তিতলি সেটা দেখে চোখ বড় করে বললো, “আবার? এত তাড়াতাড়ি?”


“তোর এই শরীর দেখলে কি শান্ত হয় রে?” বলে আমি তাকে উল্টে পেটের ওপর শুইয়ে দিলাম। তার দুই পাছার গোল গোল নিতম্ব আমার সামনে। আমি দুই হাতে চাপড় মেরে লাল করে দিলাম। “এই পাছা দুটো তোর খুব খারাপ রে তিতলি।”

তারপর তার কোমর ধরে পেছন থেকে আবার লিঙ্গ ঢুকিয়ে দিলাম। এবার একদম সোজা, গভীর করে। তিতলি বালিশে মুখ চেপে চিৎকার করে উঠলো, “আআহহহ দাদা… খুব গভীরে যাচ্ছে… জোরে চোদো… তোমার ছোট বোনের ভোদা ফাটিয়ে দাও…”


আমি তার চুলের বেণী ধরে টেনে তার মাথা পেছনে হেলিয়ে ধরলাম। অন্য হাত দিয়ে তার একটা স্তন চেপে ধরে জোরে জোরে ঠাপাতে লাগলাম। ঘরের ভেতর শুধু চড় চড় শব্দ আর আমাদের হাঁপানি। বাইরে সন্ধি পুজোর ঢাক আর উলুধ্বনি চলছে, আর এখানে আমি আমার মামাতো বোনকে পেছন থেকে কুকুরের মতো চুদছি।


কিছুক্ষণ পর আমি তাকে টেনে তুলে বসালাম। তারপর বিছানার কিনারায় বসে তাকে আমার কোলে উঠিয়ে নিলাম। তিতলি আমার লিঙ্গের ওপর বসে নিজে নিজে উঠানামা করতে শুরু করলো। তার স্তন দুটো আমার মুখের সামনে দুলছে। আমি একটা বোঁটা মুখে নিয়ে জোরে চুষছি আর কামড়াচ্ছি। তিতলি পাগলের মতো লাফাচ্ছে, “দাদা… আমার ভোদায় তোমার লিঙ্গটা পুরো ঢুকে যাচ্ছে… উফফ… আমি আবার যাবো… চুদে চুদে আমাকে শেষ করে দাও…”


আমি তার পাছায় চড় মারতে মারতে বললাম, “তোর ভোদা তো খুব রসালো রে… দাদার বীর্য খেয়ে আরও খারাপ হয়ে গেছে। বল, দাদার লিঙ্গ ছাড়া আর কারো চোদা খাবি না?”

তিতলি চোখ বন্ধ করে বললো, “না দাদা… শুধু তোমার… তোমার লিঙ্গ ছাড়া কিছু চাই না… আহহহ… আমি আসছি…”


তার শরীর আবার শক্ত হয়ে গেল। দ্বিতীয়বার অর্গাজম হলো। তার ভোদা আমার লিঙ্গকে খুব জোরে চেপে ধরলো। আমিও আর সহ্য করতে পারলাম না। তাকে জড়িয়ে ধরে তার ভেতরেই দ্বিতীয়বার প্রচুর বীর্য ঢেলে দিলাম।


দুজনে ঘেমে নেয়ে একসাথে শুয়ে পড়লাম। তিতলির শরীর আমার শরীরের সাথে লেপটে আছে। তার ভোদা থেকে আমাদের মিশ্র রস গড়িয়ে পড়ছে।

আমি তার কানে কানে ফিসফিস করলাম, “এখনও রাত অনেক বাকি রে তিতলি। সারা রাত তোকে চুদবো। কখনো মুখে, কখনো ভোদায়, কখনো পাছায়… তোকে আমার পুরোপুরি নিজের করে নেবো।”


তিতলি লজ্জায় আর উত্তেজনায় লাল হয়ে আমার বুকে মুখ গুঁজে দিলো। কিন্তু তার হাতটা আমার লিঙ্গের দিকে চলে গেল, আস্তে আস্তে নাড়াতে শুরু করলো।

বাইরে পুজোর আলো আর শব্দ চলছে… আর ভেতরে আমাদের নিষিদ্ধ, পাপের খেলা আরও জোরে চলতে লাগলো।

Comments